গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ | ০৪/১২/২০০৫ ইং

উন্নয়ন আদেশ

"কৃষক আর শ্রমিক"—এই নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ,
দেশপ্রেমিকদের নিতে হবে সাহসী পদক্ষেপের অধ্যাদেশ।
জরিপ করতে হবে জরুরি, তাড়াতে হবে সব অন্যায়,
সংগঠন হবে পেশার মূলে—ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সমবায়।
প্রশিক্ষণ চাই মানবিক আর নিশ্চিত সবার জন্য,
প্রকল্প গ্রহণ বাধ্যতামূলক হোক, পেশা হবে অনন্য।
অর্থ ও উপকরণের যোগান দিয়ে আর দ্রুত সরবরাহ পেয়ে,
কর্মসংস্থান গড়তে হবে দেশের সকল মানুষ নিয়ে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে বস্তুনিষ্ঠ আর দক্ষ চালে,
ফলো-আপ ও ফিডব্যাক দেবে যারা আছে দায়িত্বশীল মহলে।
উৎপাদন হবে কল-কারখানায় আর ফসলের মাঠে,
যথাযথ মূল্য নির্ধারণ ও বাজারজাতকরণ যেন জোটে।
ত্যাগ আর প্রচেষ্টায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে পূর্ণ,
তবেই উন্নয়ন হবে সঠিক, দেশের সুনাম হবে না চূর্ণ।
পেশাজীবী রাজনীতিকের দুষ্কর্ম ও নীতি বর্জন করলে তবেই,
পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে এই উৎসবেই।
উন্নয়ন চক্র (Development Cycle): ১. জরিপ → ২. সংগঠন গঠন → ৩. মানসম্মত প্রশিক্ষণ → ৪. পেশাভিত্তিক প্রকল্প গ্রহন → ৫. অর্থ ও উপকরণ সরবরাহ → ৬. প্রকল্প বাস্তবায়ন → ৭. ফলো-আপ ও ফিডব্যাক → ৮. লক্ষ্যমাত্রা অর্জন → ৯. বাজারজাত করন → ১০. উন্নয়ন।
— কাজী আব্দুস সালাম