রাষ্ট্রচিন্তা ও সংস্কার
উন্নয়ন অবকাঠামো
সমাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্ম ও সংস্কৃতি—
এরই ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হোক সুস্থ রাজনীতি।
বিবেকের কাছে জিম্মি এই প্রিয় সমাজ মম,
প্রত্যাশা করি আদর্শ ও নৈতিক এক অবকাঠামো।
সবার মনেই ইচ্ছা আছে, শুধু অবহেলা সাজাতে,
আর সংগঠনের সার্বিক উপকরণ সময়মতো জোগাতে।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামের এই দেশটি ভ্রূণে,
উদ্যত ও উচ্ছ্বসিত ছিল অরণ্যে মুক্তির গানে।
স্বাধিকার যুদ্ধের গানে জেগেছিল আবালবৃদ্ধবণিতা,
নির্ঘোষ স্বরে উন্নত শিরে উদিত হয়েছিল নবীন জনতা।
উদীয়মান যুব-কৃষক-শ্রমিক, তোমরা হও আগুয়ান,
গ্রহণ করো শিক্ষা আর দেশ গড়ার দীপ্ত প্রশিক্ষণ।
পড়াশোনার পাশাপাশি পেশায় করো উপার্জন,
বেকার নয়, অবাধ অংশগ্রহণে করো উৎপাদন অর্জন।
অবকাঠামো ও কর্ম-শ্রমে বাড়বে দেশের সম্মান,
সঠিক প্রবিধানই এনে দেবে দেশের সার্বিক উন্নয়ন।
উন্নয়ন অবকাঠামোর ভিত্তি:
১. নৈতিক ভিত্তি (সমাজ+অর্থনীতি+ধর্ম+সংস্কৃতি) → ২. জনসম্পদ উন্নয়ন (শিক্ষা+প্রশিক্ষণ) → ৩. উৎপাদনশীলতা
(অংশগ্রহণ+উপার্জন) → ৪. জাতীয় সমৃদ্ধি (সম্মান+প্রবৃদ্ধি)।
দেশপ্রেম ও সুশাসন
নহে কেহ সন্ত্রাসী
হতে যদি চাও খাঁটি দেশপ্রেমিক,
রাজনীতি থাকবে তবে তোমারই পদতলে।
সমাজনীতিকে হৃদয়ে আর মাথায় রেখে,
সংগঠন গড়তে হবে পেশার মূল শক্তিতে।
আর্থ-সামাজিক প্রকল্প ও প্রশিক্ষণ হোক সর্বজনীন,
খামার-কারখানায় উৎপাদন হোক সুনিশ্চিত ও স্বাধীন।
লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, অর্জন আর সঠিক বাজারজাতকরণ—
তবেই মুক্ত হবে স্বাধিকারের সোনার বাংলা চিরন্তন।
উন্নয়নের দুয়ার খুলে যখন দেশ এগিয়ে যাবে,
সফল রাজনীতির সুফল তখন সবাই ঘরে পাবে।
সন্ত্রাসীরা তখন আর জন্ম নেবে না কোনো কালে,
নেতাদের সাধের স্বপ্ন সফল হবে ইহ ও পরকালে।
নইলে শাসক, তোমাদের নির্ধারিত সময়ের শেষে—
জবাবদিহি করতে হবে সুদে-আসলে এই দেশে!
গণতন্ত্রের এই প্রজাতন্ত্রে যারা বাস করে,
স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে কেউ সন্ত্রাসী হতে না পারে।
কর্মময় জীবনে যারা আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী,
তারাই হবে এই দেশের শ্রেষ্ঠ ও প্রত্যয়ী অধিবাসী।
— কাজী আব্দুস সালাম