১৬. কবিতা | ০৫/১১/১৯৭৫ ইং
মন উতলা আজি
মন উতলা আজি,
উঠিছে নাচি নাচি
এসো প্রিয়ে রঙে সাজি।
এই বসন্ত বাহার রাতি,
হেন অবহেলা অলসতায়
দিও না গো বাতি।
তুমি সেই সাধ্বী বেশে,
মমতার মাধুরী নিয়ে
বস মম পাশে এসে।
তব প্রেম গেঁথে মালায়,
করে দোলায়ে দোলায়ে
পরাইয়া দাও এ নিলয়।
তোমার সাধন সান্ত্বনা,
শুধায় মোরে সহস্র
নির্বাক নির্বোধ কল্পনা।
অনন্ত তুমি ভালোবেসে,
গেয়ে মদীয় সুরে
মিশে যাও অন্তর দেশে।
ওগো প্রিয়ে হৃদয়রাণী,
কল্পনার আলো ছায়ায়
সদা তোমায় ধ্যানী।
তুমি নারী সরোবরী,
অশান্ত ঊর্মি সকল
নয়নে দাপটে বারী।
বধূ রূপালী বিধু,
নিশির কৃষ্ণ ঘরে
পুষ্পে মদির মধু।
ওগো সুন্দরী হিরণ,
অন্তরে খুলে দিলাম
তোমার স্মৃতির তোরণ।
তুমি প্রেম সুরঞ্জনা,
কেন বেসুরে বাজাও
তব কঙ্কণ ব্যঞ্জনা।
ইমন ভূপালী বয়ে,
বিদিক সুরতালে অন্তরে
জ্বলেছ সহস্র দীপালি হয়ে।
তুমি অনন্ত নৃত্যপর,
মম হৃদয় নৃত্যশালে
বহিছে নৃত্যাসব জোয়ার।

বিরহ বাগ ব্যথা,
শত নির্বাক কথা
প্রাণে নহে নীরবতা।
তুমি আমার মাঝে,
তবু এতো নির্জনতা
সহি সর্ব সাজে।
হে দেবী মানসী,
হৃদয়ের সর্ব সুরে
এঁকেছি অদূরে বসি।
এবার অন্তরে নাও,
এই পোড়া হৃদয়ে
প্রেমসুধায় ভরে দাও
— কে এ সালাম